No icon

বোচাগঞ্জে সাংস্কৃতিক কর্মী জেন্টেল হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি, ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

যোদ্ধা ডেস্কঃ দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে পরকীয়ার ঘটনায় পূর্ব শত্রতার দ্বন্দ্বের কারণে মশিউর রহমান জেন্টেল নামে এক সাংস্কৃতিক কর্মীকে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদন্ড ও দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত ব্যক্তিকে এক লাখ জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডে আদেশ দেওয়া হয়। ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকেলে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আনোয়ারুল হক এই রায় দেন। এছাড়া মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার মুশিদহাট গরুহাটি এলাকার মৃত আফিজুল টিকরীর ছেলে আক্কাছ আলী ওরফে আলকু। যাবজ্জীবনদন্ড প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, বোচাগঞ্জ উপজেলার ধনতলা দফাদার পাড়ার মৃত নেফাজ উদ্দীনের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম ওরফে মশা ও একই উপজেলার মুশিদহাট হাজীপাড়ার ছেলে সেতাবগঞ্জ পৌর শাখা বিএপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সেতাবগঞ্জ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ সুয়েল রানা। জানাযায় মৃত ব্যক্তির স্ত্রী রুমানা আক্তার রুমির সাথে আসামি সুয়েল রানার সাথে পরকীয়া সংক্রান্ত দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব ছিল। ২০১২ সালের ১৪ জুলাই বোচাগঞ্জ উপজেলার মুশিদহাট এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে মশিউর রহমান জেন্টেলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সুয়েল রানার হুকুমে প্রকাশ্য দিবালোকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। পরদিন ১৫ জুলাই মৃতের বাবা আব্দুর রহমান বাদী হয়ে বোচাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মেহেরুল ইসলাম ও বাদী পক্ষে ছিলেন ইমামুল হক সাতজনের বিরুদ্ধে বোচাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিচার চলাকালীন সময়ে মামলার এক আসামি মারা যান। মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একই এলাকার রেজাউল ইসলাম, রুবেল ও হরুমানা আক্তার রুমিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। 
উল্লেখ্য মশিউর রহমান জেন্টেল সেতাবগঞ্জ পৌরসভা অধীন সাবেক ধানহাটি এলাকায় অবস্থিত নব জাগরণ ক্লাবের সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন। 

Comment