No icon

বোচাগঞ্জে মানা হচ্ছেনা সরকারি স্বাস্থ্যবিধি

যোদ্ধা ডেস্কঃ কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ বিগত দিনের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে চারদিকে। তবে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বৃদ্ধি পাচ্ছে না সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা।
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় কোথাও দেখা যায়নি সাধারণ মানুষ জনসমাগম এড়িয়ে চলছে অথবা স্ব-ইচ্ছায় মাস্ক পরিধান করছে। শহরের প্রসাশন ও পৌরসভার পক্ষে গণসচেতনা সৃষ্টি করতে মাইকিং করলেও সচেতণ হচ্ছে না সাধারণ মানুষ
সেতাবগঞ্জ বাজার ও বাসস্টান্ড এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগের মুখে মাস্ক ছিল তবে মানা হচ্ছে না মাস্ক ব্যবহারের সঠিক নিয়ম। সচেতনতা নেই জণসাধারণের মধ্যেও। জীবাণুনাশকের ব্যবহারও দেখা যায়নি কোথাও।
হোটেল রেস্তোরা ভর্তি মানুষ, কোন নিয়মই মানা হচ্ছে না। হোটেলের ভিতরে খাবার খাওয়া নিষেধ থাকলেও তা মানছেনা হোটেল ব্যবসায়ীরা। সোনালী ব্যাংক সেতাবগঞ্জ শাখায় টাকা তুলতে  দেখা যায় গ্রাহকদের র্দীঘ লাইন, শারিরিক দুরত্বের নেই্  কোন বালাই। একজন আরেক জনের সাথে গাদাগাদী করে দাড়িয়ে আছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধি নিষেধ মানা হচ্ছে না কোথাও। সেতাবগঞ্জ পৌর শহরের প্রান কেন্দ্র তিন রাস্তা মোড়ে বিভিন্ন দোকান ও খাবার হোটেল সরকারী আদেশকে বৃদ্ধাআঙ্গুলী দেখিয়ে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখছে অনেক রাত পর্যন্ত। এতে অন্যান্য দোকান মালিকগনের মাঝে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।
সকাল থেকে রাত ১২টা পযর্ন্ত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রিক্সা, ভ্যান, অটো রিক্সা ও ব্যক্তিগতগাড়ী। পৌরশহরে অটো রিক্সা গুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। একটি অটো রিক্সায় যাত্রী বহন করছে ৬/৭ জন। যা করোনা ভাইরাস সংক্রমনে ঘটতে পারে ভয়ানক বিপদ। সচেতন মহল মনে করছেন, সরকারি বিধি নিষেধ মানতে ও মানাতে প্রসাশনের কঠোর হওয়া প্রয়োজন, নয় তো যে কোন সময় বোচাগঞ্জ উপজেলায় ঘটতে পারে করোনা সংক্রমনের মহামারি।

 

Comment